বিকাশ থেকে লোন পাওয়ার উপায় | বিকাশ থেকে লোন নেওয়ার উপায় (৫০০ থেকে ২০০০০ পর্যন্ত)

বাংলাদেশি সবচেয়ে জনপ্রিয় অধিক গ্রাহক ও সেরা মোবাইল ব্যাংকিং বিকাশ বিকাশ. ইতিমধ্যে বাংলাদেশ গ্রাহকদের মাঝে জনপ্রিয়তা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে. এজন্য অধিকাংশ গ্রাহক বিকাশের মাধ্যমে লেনদেন করে থাকেন. বিকাশ গ্রাহকদের জন্য নতুন নতুন সেবা প্রদান করছে. বর্তমানে বিকাশ এবং সিটি ব্যাংক যৌথ উদ্যোগে ডিজিটাল চালু করেছে. একজন গ্রাহক তাদের বিকাশ একাউন্টের মাধ্যমে ডিজিটাল পদ্ধতিতে কোন জামানত ছাড়াই ৫০০ টাকা থেকে ২০০০০ হাজার টাকা পর্যন্ত লোন নিতে পারবেন. কিন্তু আপনি আপনার একাউন্টের মাধ্যমে কিভাবে বিকাশ লোন গ্রহণ করবেন, সর্বোচ্চ কত নিতে পারবেন, লোন পদ্ধতি কি, সুদের পরিমাণ কত, পরিশোধ পদ্ধতি কি এসব জানতে চাইলে আমাদের এই কনটেন্টে পুরো মনোযোগ সহকারে পড়ুন এবং বিস্তারিত জেনে লোন গ্রহণ করুন

আসুন বিকাশ গ্রাহকদের সুবিধার্থে আজ আমরা এখানে বিকাশ লোন নেওয়ার উপায় বা পদ্ধতি বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরা যাতে গ্রাহকগণ খুব সহজেই লোন নেওয়ার পদ্ধতি, পরিশোধ করার পদ্ধতি, টাকার পরিমান, সুদের পরিমাণসহ বিস্তারিত তথ্য এখান থেকে জেনে লোন গ্রহণ করতে পারেন

 বিকাশ থেকে লোন পাওয়ার উপায়

বিকাশ থেকে লোন পাওয়ার জন্য আপনাকে একজন বিকাশ গ্রাহক হতে হবে এবং আপনার মোবাইল একাউন্ট এ বিকাশ অ্যাপ ইন্সটল করে চালু করতে হবে. বিকাশ লোন পাওয়ার যোগ্য একাউন্টধারী বিকাশ লোন গ্রহণ করতে পারবেন. বিকাশ লোন নিতে চাইলে আপনাকে বিকাশ অ্যাপস ইন্সটল করতে হবে এবং মেনু ডায়াল করতে হবে. তারপর আপনি আপনার মেনুতে লোন আইকনটি দেখতে পাবেন. বিকাশ লোন আইকনে ক্লিক করতে হবে এবং লোন নেওয়ার জন্য গ্রাহককে তার ইউনিফর্মে বিকাশকে দেওয়া তথ্য সিটি ব্যাংকে দেওয়ার পারমিশন নিতে হবে. তারপর লোনের পরিমাণ এবং বিকাশ একাউন্ট পিন কোড দিয়ে সাথে সাথে আপনার একাউন্টে টাকা পেয়ে যাবেন.

লোন পাওয়ার সুবিধাভোগী কারা

যে সমস্ত বিকাশ গ্রাহক সিটি ব্যাংক থেকে লোন পাওয়ার যোগ্য , তাদেরকে সিটি ব্যাংক প্রদান করবেন. সিটি ব্যাংক নির্দিষ্ট বিকাশ গ্রাহককে ঋণ প্রদানের প্রদান নীতিমালা অনুযায়ী লোন সুবিধা প্রদান করবেন. তবে কোন ধরনের বিকাশ গ্রাহক সিটি ব্যাংক থেকে লোন সুবিধা পাবেন তা জানতে বিকাশ অ্যাপ এর লোন অপশনে যান। ইন্টারেস্ট রেট, প্রসেসিং ফি, লোন লিমিট, লোন পরিশোধের নিয়মাবলী, লোন পাওয়ার যোগ্যতা এবং ক্রেডিট পলিসি নির্ধারণের ক্ষমতা বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী সিটি ব্যাংক কর্তৃক সংরক্ষিত।

বিকাশ থেকে লোন পাওয়ার নিয়ম

আপনি যদি বিকাশ থেকে লোন পেতে চান তাহলে প্রথমে বিকাশ অ্যাপের মাধ্যমে আপনাকে লোনের জন্য আবেদন করতে হবে।

লোন আবেদন করার নিয়ম:

বিকাশে লোন পাওয়ার জন্য কিভাবে আবেদন করতে হবে তা নিচে ধারাবাহিক ভাবে তুলে ধরা হলো:

প্রথমত: প্রথমে আপনাকে বিকাশ অ্যাপ এ প্রবেশ করে লোন আইকন বাটনে ক্লিক করতে হবে

দ্বিতীয়তঃ তারপর আপনি একটি ই কেওয়াইসি ফর্ম দেখতে পাবেন সেখানে আপনার সমস্ত ইনফরমেশন বা তথ্য সঠিকভাবে পূরণ করতে হবে এবং বিকাশ অ্যাপের মাধ্যমে সিটি ব্যাংকের কাছে ফর্মটা সাবমিট করতে হবে।

তৃতীয়ত: লোন আবেদন ফরম টি সাবমিট করার পর সিটি ব্যাংক যদি মনে করে আপনি লোন পাওয়ার যোগ্য তাহলে ব্যাংক কিছু সময়ের মধ্যে আপনার বিকাশ একাউন্টে লোনের টাকা পাঠিয়ে দিবে।

চতুর্থত: যখন সিটি ব্যাংক আপনার বিকাশ একাউন্টে লোনের টাকা পাঠিয়ে দিবে এবং সাথে একটি পিন নম্বর প্রদান করবেন

পঞ্চমত: আপনি সিটি ব্যাংক কর্তৃক সেই পিন নাম্বার দিয়ে সহজে আপনার টাকা পেয়ে যাবেন এবং সেই টাকা আপনি বিকাশ এজেন্ট পয়েন্ট অথবা ব্রাক ব্যাংক এটিএম বুথ থেকে উত্তোলন করতে পারবেন

বিকাশ লোন পরিশোধের নিয়মাবলী

  • বিকাশ লোন পাওয়ার পর আপনি যেভাবে লোন পরিশোধ করবেন তার নিয়মাবলী নিচে ধারাবাহিকভাবে বর্ণনা করা হলো:
  • যখন আপনি লোন অ্যাপ্লাই করার করবেন এবং লোন পাওয়ার পর ড্যাশবোর্ডে এ গ্রাহক লোন কিস্তির পরিমাণ ও পরিশোধের তারিখ দেখতে পাবেন
  • লোন পরিশোধের নির্দিষ্ট সময়ে গ্রাহক চাইলে লোন পরিশোধের নির্দিষ্ট তারিখে গ্রাহকের বিকাশ একাউন্ট থেকে নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ ও ডেবিট হিসাবে কেটে নেওয়া হবে অথবা গ্রাহক চাইলে নির্দিষ্ট দিনের আগে নিজেই লোনের অর্থ নিজে পরিশোধ করতে পারবেন তবে সে ক্ষেত্রে ইন্টারনেটের খরচ কমে আসার সুবিধা পেতে পারেন
  • গ্রাহকের বিকাশ একাউন্টে জতাজত পরিমাণ অর্থ না থাকলে নির্দিষ্ট তারিখে এবং নির্দিষ্ট দিনের আগে লোনের অর্থ গ্রাহক কর্তৃক পরিশোধ করতে ব্যর্থ হলে সেক্ষেত্রে বিলম্ব ফি প্রদান করতে হবে
  • তবেই বিলম্ব ফির হার লোনের পরিমাণ এর উপর ২%

বিকাশ অ্যাপের মাধ্যমে সিটি ব্যাংক থেকে লোন কেন নিবেন

বিকাশ অ্যাপের মাধ্যমে সিটি ব্যাংক থেকে লোন নেওয়ার কতগুলো কারণ রয়েছে বা সুবিধা রয়েছে. সুতরাং এই সমস্ত কারণ বা সুবিধাগুলো নিচে বর্ণনা করা হলো:

  • আবেদন করার সাথে সাথেই লোন পাবেন
  • ৩ মাস মেয়াদী লোন
  • কোনো ব্যাংক একাউন্ট বা জামানত লাগবে না
  • কোন কাগজ-পত্র লাগবে না
  • একাউন্ট ব্যালেন্স থেকেই অটো-কিস্তি পরিশোধের সুবিধা
  • ব্যাংক-এর কোন প্রসেসিং ফি নেই

লোন পরিশোধ করার সময় সীমা

আপনি যখন বিকাশ একাউন্টের মাধ্যমে সিটি ব্যাংক থেকে লোন পাবেন, সেই লোনটি আপনাকে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে পরিশোধ করতে হবে। নন্টি পাওয়ার তিন থেকে ছয় মাসের মধ্যে সেই লোনের টাকা বিকাশ অ্যাপের মাধ্যমে পরিশোধ করতে হবে

লোন সুবিধা

বিকাশ গ্রাহকগণ বিকাশ অ্যাপের মাধ্যমে সিটি ব্যাংক থেকে লোন গ্রহণ করতে পারবেন। একজন বিকাশ গ্রাহক সিটি ব্যাংক থেকে ৫০০ টাকা থেকে  ২০০০০/-টাকা পর্যন্ত ইনকাম করতে পারবেন। তবে গ্রাহকের বিকাশ একাউন্টে লোনের টাকা জমা হবে এবং বিকাশ একাউন্ট থেকে গ্রাহকের টাকা উত্তোলন করতে পারবেন। একজন গ্রাহক বিকাশ একাউন্টে একবারে লোন নিতে পারবেন। বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী লোন এমাউন্ট এর উপর বাড়ির 9 পার্সেন্ট ইন্টারেস্ট প্রদান করতে হবে।

লোন পরিশোধ করতে না পারলে কি হবে

আপনি যখন বিকাশ একাউন্টের মাধ্যমে সিটি ব্যাংক থেকে লোন নেওয়ার জন্য আবেদন করবেন এবং সেখানে লোন নেওয়ার কিছু শর্তাবলী রয়েছে তা মেনে আপনাকে আবেদন করতে হবে। সেই শর্তাবলী মেনে নেওয়ার পর আপনি যদি লোন পরিশোধ করতে ব্যর্থ হন সেক্ষেত্রে সিটি ব্যাংক থেকে আপনার ডিফল্ট ইনফর্মেশন বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে যাবে এবং ব্যাংক তাদের নিয়মকানুন অনুযায়ী আপনার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে লন্ডি ফোল্ডার হিসেবে আপনাকে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন তবে লোন পরিশোধের জন্য তিন থেকে ছয় মাস সময় পাবেন।

লোন নেওয়ার ক্ষেত্রে যেসব বিষয় লক্ষ্য রাখতে হবে

  • আপনাকে অবশ্যই বিকাশের নিয়ম কানুন মেনে নিতে হবে
  • লোন নেওয়ার সময় বাংলাদেশের ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী সিটি ব্যাংক কর্তৃক লোনের নিয়ম কানুন মেনে লোন গ্রহণ করতে হবে
  • আপনাকে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে অর্থাৎ তিন থেকে ছয় মাসের মধ্যে লোনের টাকা পরিশোধ করতে হবে
  • আপনি লোনের যোগ্য কিনা তা বিকাশ নির্ধারণ করবেন
  • লোন প্রদানের ক্ষেত্রে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন
  • লোন ডি- ফোল্ডার হলে অবশ্যই আপনাকে আইনের মুখোমুখি হতে হবে

যেসব ক্ষেত্রে লোন সুবিধা পাওয়া যাবে

চিকিৎসা ক্ষেত্রে: আপনি যদি কঠিন রোগে আক্রান্ত হন নতুবা আপনার পরিবারের কোন সদস্য যদি জটিল রোগ ক্লান্ত হন সেক্ষেত্রে আপনি নন পাওয়ার যোগ্য বিবেচিত হবেন। সেই মুহূর্তে আপনি যদি চিকিৎসা করার জন্য কোন অর্থ সংগ্রহ করতে না পারেন সে ক্ষেত্রে বিকাশ আপনাকে লোনের সুবিধা প্রদান করবেন

প্রাকৃতিক দুর্যোগ: ধরুন আপনার এলাকায় যদি কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ হয় এবং সেই দূর থেকে আপনার বাড়িঘরসহ ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি সম্মুখীন হন সেক্ষেত্রে আপনি বিকাশের কাছে লোনের আবেদন করলে বিকাশ আপনাদের লোনের সুবিধা প্রদান করতে পারবেন

কৃষিকাজ: কৃষি কাজ করার সময় কৃষি ক্ষেত্রে বিভিন্ন যন্ত্রপাতি প্রয়োজন হয়. আর এই যন্ত্রপাতি কেনার জন্য আপনার যদি কোন অর্থ না থাকে সেক্ষেত্রে আপনি কৃষি যন্ত্রপাতি কেনার জন্য বিকাশের কাছে লোনের আবেদন করলে বিকাশ আপনাকে লোন দিতে পারে

ব্যবসা: ধরুন আপনি ব্যবসা করতে চান কিন্তু ব্যবসা করতে গেলে দোকানপাট ও মালামাল কেনার জন্য আপনার অনেক অর্থের প্রয়োজন হবে, সেক্ষেত্রে আপনি যদি কোনো অর্থের সংকট সম্মুখীন হন বা ব্যবসা করার মতো কোনো অর্থ না থাকে। তাহলে আপনি বিকাশের কাছে লোনের আবেদন করলে বিকাশ আপনাকে লোন দিতে পারে

অন্যান্য ক্ষেত্রে: উপরোক্ত ক্ষেত্রগুলো ছাড়াও আরো কতগুলো জরুরি ক্ষেত্র রয়েছে যেমন: ছেলে মেয়ের পড়াশোনা, মৌলিক চাহিদা পূরণের ক্ষেত্রগুলি জরুরী ক্ষেত্রে  আপনি বিকাশ এর কাছে লোনের আবেদন কলেজ আপনাকে লোন প্রদান করতে পারে

বিকাশ লোন ফরম

বিকাশ অ্যাপের মাধ্যমে সিটি ব্যাংকের কাছে লোন নেওয়ার জন্য বিকাশ লোন আইকনে ক্লিক করতে হবে। সেখানে একটি লোন ফরম পাওয়া যাবে। লোন ফরমটি সঠিকভাবে পূরণ করে সিটি ব্যাংক ঠিকানায় পাঠিয়ে দিতে হবে। বিকাশ অ্যাপের মাধ্যমে লোন ফরম টি পাওয়া যাবে কিন্তু আলাদাভাবে কোন লোন ফরম এর প্রয়োজন হবে না

জামানত ছাড়া ব্যাংক লোন কিভাবে পাব

আপনি জামানত ছাড়া ডিজিটাল পদ্ধতিতে বিকাশ অ্যাপের মাধ্যমে সিটি ব্যাংকের কাছে 500 থেকে 2000 টাকা পর্যন্ত লোন সুবিধা ভোগ করতে পারবেন। জামানত ছাড়া লোন পাওয়ার জন্ম আপনাকে বিকাশ অ্যাপের মাধ্যমে লোন আইকনে প্রবেশ করতে হবে। তারপর সঠিকভাবে তথ্য পূরণ করে ফরমটি সিটি ব্যাংক বরাবর পাঠিয়ে দিতে হবে। তারপর সিটি ব্যাংক কর্তৃপক্ষ আপনার তথ্য যাচাই-বাছাই করে বিকাশে সিদ্ধান্ত মোতাবেক আপনাকে প্রদান করবেন। তবে আপনি লোন পাওয়ার যোগ্য কিনা তা বিচার নির্ধারণ করবে

বাংলাদেশের অনলাইনে লোন পাওয়ার উপায়

বাংলাদেশি অনলাইনে লোন পাওয়ার উপায় রয়েছে তা বিকাশ একাউন্টের মাধ্যমে। আপনি যদি অনলাইনের মাধ্যমে লোন পেতে চান তাহলে আপনাকে বিকাশ গ্রাহক হতে হবে এবং বিকাশ অ্যাপস ইন্সটল করতে হবে। তারপর লোন পাওয়ার জন্য বিকাশ অ্যাপের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে। এজন্য আপনাকে বিকাশ অ্যাপ এ প্রবেশ করে লোন আইকনে ক্লিক করে প্রবেশ করতে হবে। তারপর লোন ফরম পূরণ করে সিটি ব্যাংক বরাবর পাঠিয়ে দিতে হবে। সিটি ব্যাংক কর্তৃপক্ষ আপনাকে লোন পাওয়ার যোগ্য হলে লম্পট দান করবেন। তবে বিকাশ কর্তৃপক্ষ নির্ধারণ করবেন আপনি নন পাওয়ার যোগ্য কিনা।

আমি বিকাশের লোন কিভাবে নিব

প্রথমেই আপনাকে বিকাশ অ্যাপ থেকে একাউন্ট লগইন করতে হবে। তারপর লোন আইকনে ক্লিক করে লোন নেওয়ার জন্য অনুরোধ করতে হবে।

বিকাশ লোন সর্বোচ্চ এবং সর্বনিম্ন কি পরিমাণ নিতে পারি

আপনি যদি একজন বিকাশ গ্রাহক হয়ে থাকেন এবং আপনার কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মাধ্যমে আপনার বিকাশ একাউন্ট লোন পাওয়ার যোগ্য বিবেচিত হলে, আপনি সর্বনিম্ন 500 টাকা থেকে সর্বোচ্চ 10 হাজার টাকা পর্যন্ত ডিজিটাল ঋণ নিতে পারবে

উপসংহার: বিকাশ সিটি ব্যাংকের মধ্যে লোন দেওয়ার মতি পদক্ষেপ জনগণের কল্যাণ বয়ে নিয়ে আসে। বিকাশের এই পদক্ষেপ অনুযায়ী যে সমস্ত বিকাশ গ্রাহক লোন পাওয়ার যোগ্য তারা লোন বিভিন্ন ভাবে উপকার পেতে পারেন। এই লোন সুবিধা প্রদান করার জন্য বিকাশ কর্তৃপক্ষ গ্রাহকদের কাছে অনেক জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। সুতরাং বিকাশ সেবা বাংলাদেশের মানুষের কাছে জনপ্রিয় একটি মোবাইল ব্যাংকিং সেবায় পরিণত হয়েছে

Leave a Reply

Your email address will not be published.